হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়—সংক্ষেপে হাবিপ্রবি—উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। কম্পিউটার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার এবং মৌলিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির B ইউনিট বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন: অফিসিয়াল ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে ‘বিজ্ঞান ইউনিট’ নাম ব্যবহার করা হয়নি। B ইউনিটের অধীনে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার এবং বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগগুলো অন্তর্ভুক্ত।
হাবিপ্রবির ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের অফিসিয়াল স্নাতক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আবেদনযোগ্যতা, আসনসংখ্যা, মানবণ্টন, নেগেটিভ মার্কিং, মেধাস্কোর এবং প্রস্তুতির কৌশল এখানে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো।
> গুরুত্বপূর্ণ নোট: এই লেখার নিয়ম, তারিখ ও আসনসংখ্যা ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞপ্তিভিত্তিক। পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে সেটিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
B ইউনিটে কোন কোন অনুষদ ও বিভাগ রয়েছে?
B ইউনিটের অধীনে মোট ৭৪০টি সাধারণ আসন রয়েছে।
অনুষদ/শাখা-বিভাগ ও ডিগ্রি-আসন
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং B.Sc. Engineering in Computer Science and Engineering ৬০
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং B.Sc. Engineering in Electronics and Communication Engineering ৬০
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং B.Sc. Engineering in Electrical and Electronic Engineering ৬০
ইঞ্জিনিয়ারিং B.Sc. in Food and Process Engineering ৬০
ইঞ্জিনিয়ারিং B.Sc. in Agricultural Engineering ৬০
ইঞ্জিনিয়ারিং B.Sc. in Civil Engineering ৫০
ইঞ্জিনিয়ারিং B.Sc. in Mechanical Engineering ৫০
আর্কিটেকচার Bachelor of Architecture ৩০
বিজ্ঞান B.Sc. (Honours) in Chemistry ৭৫
বিজ্ঞান B.Sc. (Honours) in Physics ৭৫
বিজ্ঞান B.Sc. (Honours) in Mathematics ৮০
বিজ্ঞান B.Sc. (Honours) in Statistics ৮০
বিজ্ঞপ্তিতে সব ইউনিট মিলিয়ে সাধারণ আসন ১,৭৮৫টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন কোটা ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত রয়েছে।
কারা আবেদন করতে পারবে?
২০২৫ অথবা ২০২৬ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
২০২৩ সালের আগে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আবেদন করা যাবে না।
B ইউনিটের জন্য এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার জিপিএর যোগফল কমপক্ষে ৭.৫০ থাকতে হবে।
উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।
উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পদার্থ, রসায়ন ও গণিত বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।
বিদেশি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সমমানের গ্রেড থাকতে হবে।
O-Level ও A-Level শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা
O-Level-এ পাঁচটি বিষয়ের প্রতিটিতে কমপক্ষে B গ্রেড এবং A-Level-এ পদার্থ, রসায়ন, গণিত, জীববিজ্ঞান বা কৃষিবিজ্ঞানের মধ্য থেকে তিনটি বিষয়ে প্রতিটিতে কমপক্ষে B গ্রেড থাকতে হবে।
আবেদন ফি ও সময়সূচি
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য—
বিষয় তথ্য
অনলাইন আবেদন শুরু ১৬ নভেম্বর ২০২৫, বিকেল ৪টা
আবেদনের শেষ সময় ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট
প্রতি ইউনিটের আবেদন ফি ১,০০০ টাকা
আর্কিটেকচারের অতিরিক্ত ফি ২০০ টাকা
ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২৬–২৮ জানুয়ারি ২০২৬
পরীক্ষাকেন্দ্র হাবিপ্রবি ক্যাম্পাস, দিনাজপুর
আবেদন ওয়েবসাইট https://hstu.ac.bd/admission/index
একাধিক ইউনিটে আবেদন করতে চাইলে প্রতিটি ইউনিটের জন্য আলাদাভাবে ফি দিতে হবে। ফি জমার পর পাওয়া Transaction ID সংরক্ষণ করা জরুরি।
প্রবেশপত্র ডাউনলোড
সংশ্লিষ্ট ইউনিটের পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে থেকে পরীক্ষা শুরুর আগপর্যন্ত ভর্তি ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। প্রবেশপত্র ডাউনলোডের আগে পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক রঙিন ছবি আপলোড করতে হবে।
প্রবেশপত্র A4 সাইজের অফসেট কাগজে রঙিন প্রিন্ট করে পরীক্ষার হলে নিতে হবে। প্রবেশপত্রে ছবির নিচে থাকা Student Signature-এর ওপর আবেদনকারীকে স্বাক্ষর করতে হবে।
B ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন
বিষয় নম্বর
পদার্থ ২৫
রসায়ন ২৫
গণিত ২৫
ইংরেজি ২৫
মোট ১০০
পরীক্ষা বহুনির্বাচনী বা MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নপত্র বাংলায় প্রণীত হবে। ইংরেজি মাধ্যমে পরীক্ষা দিতে চাইলে আবেদনপত্রের নির্ধারিত স্থানে তা উল্লেখ করতে হবে।
নেগেটিভ মার্কিং ও পাস নম্বর
প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। অর্থাৎ চারটি ভুল উত্তরের জন্য মোট ১ নম্বর কর্তন হবে। উত্তরপত্রে বিশেষ কোটার জন্য নির্ধারিত বৃত্তও সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
সব ইউনিট ও সব কোটার ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে। তবে এটি শুধু উত্তীর্ণ হওয়ার শর্ত; আসন বা পছন্দের বিভাগ পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়।
চূড়ান্ত মেধাস্কোর কীভাবে তৈরি হবে?
আর্কিটেকচার ছাড়া অন্যান্য বিভাগে মেধাতালিকা তৈরি হবে মোট ১২৫ নম্বরে।
মূল্যায়নের অংশ নম্বর
ভর্তি পরীক্ষা ১০০
এসএসসি/সমমানের ফল ১০
এইচএসসি/সমমানের ফল ১৫
সর্বমোট ১২৫
বিজ্ঞপ্তি অনুসারে এসএসসি/সমমানের ফল থেকে ৪০% এবং এইচএসসি/সমমানের ফল থেকে ৬০% অনুপাতে মোট ২৫ নম্বর যুক্ত হবে। একাডেমিক ফলকে নম্বরে রূপান্তরের বিস্তারিত পদ্ধতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োগ করা হবে।
আর্কিটেকচারের বিশেষ নিয়ম
আর্কিটেকচারে আবেদনকারীকে B ইউনিটের ১০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষার পাশাপাশি অতিরিক্ত ৫০ নম্বরের Drawing পরীক্ষা দিতে হবে। ফলে আর্কিটেকচারের জন্য মেধাতালিকা তৈরি হবে মোট ১৭৫ নম্বরে।
Drawing পরীক্ষায় ন্যূনতম ১৫ নম্বর পেতে হবে। আর্কিটেকচারের অতিরিক্ত আবেদন ফি ২০০ টাকা।
B ইউনিটে কত নম্বর পেলে চান্স হবে?
অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে কোনো স্থায়ী ‘চান্স মার্ক’ ঘোষণা করা হয়নি। প্রয়োজনীয় নম্বর নির্ভর করবে প্রশ্নের কঠিনতা, পরীক্ষার্থীদের ফল, বিভাগভিত্তিক আসন, বিভাগ পছন্দক্রম এবং সংশ্লিষ্ট বছরের প্রতিযোগিতার ওপর।
তাই শুধু ৩০ নম্বর পাসের লক্ষ্য না রেখে একটি শক্তিশালী মেধাস্কোর তৈরির প্রস্তুতি নিতে হবে। বিশেষ করে CSE, EEE, Civil, Mechanical বা পছন্দের বিজ্ঞান বিভাগ লক্ষ্য হলে চারটি বিষয়েই ভারসাম্যপূর্ণ স্কোর প্রয়োজন।
পদার্থবিজ্ঞানের প্রস্তুতি
পদার্থবিজ্ঞানে ধারণা ও সূত্র প্রয়োগ—দুটির ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে। উচ্চমাধ্যমিক পাঠ্যক্রমের ভেক্টর, গতিবিদ্যা, নিউটনীয় বলবিদ্যা, কাজ-শক্তি-ক্ষমতা, মহাকর্ষ, পদার্থের গাঠনিক ধর্ম, পর্যাবৃত্ত গতি, তরঙ্গ, তাপগতিবিদ্যা, স্থির ও চল তড়িৎ, আলোকবিজ্ঞান, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, পরমাণু ও সেমিকন্ডাক্টর নিয়মিত অনুশীলন করো।
প্রতিটি অধ্যায়ের সূত্র আলাদা করে লিখে রাখো এবং সূত্রের ব্যবহারভিত্তিক MCQ সময় ধরে সমাধান করো। শুধু উত্তর মুখস্থ করলে নতুন ধরনের গাণিতিক প্রশ্নে সমস্যা হতে পারে।
রসায়নের প্রস্তুতি
রসায়নে গুণগত রসায়ন, মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম, রাসায়নিক বন্ধন, রাসায়নিক পরিবর্তন, কর্মমুখী রসায়ন, পরিবেশ রসায়ন, জৈব যৌগ, পরিমাণগত রসায়ন ও তড়িৎ রসায়নে গুরুত্ব দাও।
বিক্রিয়া, ব্যতিক্রম, পর্যায়বৃত্ত প্রবণতা ও গাণিতিক সমস্যার জন্য আলাদা নোট তৈরি করো। ভুল অপশন কেন ভুল, সেটিও বিশ্লেষণ করলে MCQ-তে নির্ভুলতা বাড়বে।
গণিতের প্রস্তুতি
ম্যাট্রিক্স ও নির্ণায়ক, ভেক্টর, সরলরেখা, বৃত্ত, ত্রিকোণমিতি, অন্তরীকরণ, যোগজীকরণ, জটিল সংখ্যা, বহুপদী, কনিক, সম্ভাবনা, স্থিতিবিদ্যা এবং গতিবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র ও পদ্ধতি নিয়মিত অনুশীলন করো।
গণিতে দ্রুত সমাধানের দক্ষতা তৈরির জন্য প্রতিদিন সময় ধরে MCQ সমাধান করা জরুরি। একই সমস্যার সংক্ষিপ্ত সমাধানপদ্ধতি শেখো, তবে ধারণা না বুঝে শর্টকাট মুখস্থ করো না।
ইংরেজির প্রস্তুতি
ইংরেজিতে ২৫ নম্বর থাকায় বিষয়টিকে অবহেলা করা যাবে না। Parts of Speech, Tense, Subject-Verb Agreement, Right Form of Verbs, Voice, Narration, Preposition, Sentence Correction, Synonym-Antonym, Idiom and Phrase, Vocabulary ও Spelling-এ গুরুত্ব দাও।
প্রতিদিন Grammar-এর পাশাপাশি নতুন শব্দ, অর্থ ও ব্যবহার লিখে রাখো। ইংরেজি তুলনামূলক দুর্বল হলে শুরু থেকেই নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করো।
প্রস্তুতির কার্যকর ধাপ
প্রথম ধাপ: বোর্ড বই থেকে প্রতিটি অধ্যায়ের মৌলিক ধারণা পরিষ্কার করো।
দ্বিতীয় ধাপ: অধ্যায় শেষ করেই বিষয়ভিত্তিক MCQ সমাধান করো এবং ভুল প্রশ্নের তালিকা তৈরি করো।
তৃতীয় ধাপ: হাবিপ্রবির বিগত প্রশ্ন সমাধান করে প্রশ্নের ধরন ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় চিহ্নিত করো।
চতুর্থ ধাপ: নেগেটিভ মার্কিং মাথায় রেখে প্রশ্ন বাদ দেওয়ার কৌশল অনুশীলন করো।
পঞ্চম ধাপ: নিয়মিত ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দাও এবং প্রতিটি পরীক্ষার পর ভুল বিশ্লেষণ করো।
দৈনিক প্রস্তুতির নমুনা রুটিন
বিষয় প্রস্তাবিত সময়
পদার্থবিজ্ঞান ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
রসায়ন ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
গণিত ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
ইংরেজি ৪৫ মিনিট
বিগত প্রশ্ন ও ভুল বিশ্লেষণ ১ ঘণ্টা
নিজের দুর্বলতা অনুযায়ী সময় কমবেশি করা যাবে। তবে প্রতিদিন চারটি বিষয়ের সঙ্গেই সংযোগ রাখার চেষ্টা করো।
পরীক্ষার দিনের কৌশল
প্রবেশপত্র ও নির্দেশিত পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখো।
পরীক্ষাকেন্দ্রে আগেভাগে পৌঁছাও।
ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ও মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করো না।
প্রথমে নিশ্চিত উত্তরগুলো দাও।
সন্দেহযুক্ত প্রশ্নে অপশন বাদ দিয়ে সিদ্ধান্ত নাও।
OMR পূরণে প্রশ্ন নম্বর ও উত্তর মিলিয়ে দেখো।
শেষ সময়ে OMR যাচাইয়ের জন্য কয়েক মিনিট রাখো।
ফল প্রকাশের পর করণীয়
ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে অনলাইনে বিভাগ পছন্দক্রম বা Choice Form পূরণ করতে হবে। সময়মতো ফরম পূরণ না করলে ভর্তি-ইচ্ছা বাতিল বলে বিবেচিত হতে পারে।
বিভাগ বণ্টন নির্ভর করবে মেধাক্রম, বিভাগ পছন্দক্রম, আসনসংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের যোগ্যতার ওপর। বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ভর্তি হিসেবে বিবেচিত শিক্ষার্থীদের Migration বা বিভাগ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা করবে।
শেষ কথা
হাবিপ্রবির B ইউনিটে ৭৪০টি আসন থাকলেও জনপ্রিয় প্রকৌশল ও বিজ্ঞান বিভাগগুলোতে প্রতিযোগিতা বেশি হবে। তাই শুধু পাসের চিন্তা নয়—পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজির ভারসাম্যপূর্ণ প্রস্তুতি, বিগত প্রশ্ন এবং নিয়মিত মডেল টেস্টের মাধ্যমে শক্তিশালী মেধাক্রম তৈরিই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।
তথ্যসূত্র: হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের অফিসিয়াল স্নাতক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি। নিয়ম, তারিখ বা আসনসংখ্যা পরিবর্তিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ অফিসিয়াল নোটিশই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
#হাবিপ্রবি #HSTU #HSTU_B_Unit #ইঞ্জিনিয়ারিং_ও_বিজ্ঞান #বিজ্ঞান_ভর্তি #বিশ্ববিদ্যালয়_ভর্তি #ভর্তি_প্রস্তুতি #Joykoly




মন্তব্য ও উত্তর
মন্তব্য লোড হচ্ছে…