+88 01678-343450 info@joykoly.com
সব লেখা

ঢাবির ইংরেজি বিভাগে পড়ার স্বপ্ন? চান্স পেতে যা জানতেই হবে

২ অক্টোবর, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হতে শুধু কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাস করলেই হবে না। একাডেমিক পর্যায়ে ইংরেজির নির্দিষ্ট ফল, ভর্তি পরীক্ষার ইংরেজি লিখিত অংশে আলাদা ন্যূনতম নম্বর, ইংরেজির MCQ ও লিখিত অংশ মিলিয়ে বিভাগভিত্তিক শর্ত এবং প্রতিযোগিতামূলক মেধাক্রম—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ।

এই লেখায় ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের ইতোমধ্যে নিশ্চিত সময়সূচি এবং সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ ২০২৫–২৬ ভর্তি নির্দেশিকায় থাকা ইংরেজি বিভাগের যোগ্যতা, আসন, মানবণ্টন, পাসের নিয়ম, মেধাস্কোর ও প্রস্তুতির কৌশল আলাদাভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে কোন তথ্য নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য নিশ্চিত এবং কোনটি নতুন পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা প্রকাশের পর পুনরায় যাচাই করতে হবে—তা সহজেই বোঝা যাবে।

২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের নিশ্চিত সময়সূচি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ঘোষণা অনুযায়ী ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ২৫ নভেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৬, শনিবার। পরীক্ষার সময় সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট। এই ইউনিটের পরীক্ষা ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ইংরেজি বিভাগ কোন ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ কলা অনুষদের অন্তর্ভুক্ত। বিভাগটিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয় কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের মাধ্যমে। মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা—তিন শাখার যোগ্য শিক্ষার্থীরাই ইউনিটে আবেদন করে নিজ নিজ শাখার জন্য বরাদ্দ আসনের বিপরীতে ইংরেজি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেতে পারে।

ইউনিটে আবেদনের সাধারণ যোগ্যতা

সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ ২০২৫–২৬ নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণ যোগ্যতা ছিল নিম্নরূপ। ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে পাসের বছর ও জিপিএর শর্ত নতুন করে যাচাই করতে হবে।

মানবিক শাখা

এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ ন্যূনতম ৭.৫০ এবং প্রতিটি পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।

বিজ্ঞান শাখা

এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ ন্যূনতম ৮.০০ এবং প্রতিটি পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।

ব্যবসায় শিক্ষা শাখা

এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ ন্যূনতম ৭.৫০ এবং প্রতিটি পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।

এগুলো ইউনিটে আবেদন করার সাধারণ যোগ্যতা। ইংরেজি বিভাগে বিষয় পাওয়ার জন্য এর পাশাপাশি বিভাগটির বিশেষ শর্তও পূরণ করতে হবে।

ইংরেজি বিভাগের বিশেষ শর্ত

◆ এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ইংরেজি ২০০ নম্বরের বিষয় হতে হবে।

◆ এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ইংরেজিতে ন্যূনতম GPA A−/৩.৫০ থাকতে হবে।

◆ এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় ইংরেজিতে ন্যূনতম GPA A/৩.৭৫ থাকতে হবে।

◆ IGCSE বা O Level শিক্ষার্থীর ইংরেজি বিষয়ে ন্যূনতম C গ্রেড থাকতে হবে।

◆ ভর্তি পরীক্ষার ইংরেজি লিখিত অংশে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে।

◆ ভর্তি পরীক্ষার MCQ ও লিখিত অংশ মিলিয়ে ইংরেজিতে সর্বমোট ন্যূনতম ১৯ নম্বর পেতে হবে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—মোট ভর্তি পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেলেও ইংরেজি লিখিত অংশে ১০ নম্বর অথবা ইংরেজিতে সম্মিলিত ১৯ নম্বরের যেকোনো একটি শর্ত পূরণ না হলে ইংরেজি বিভাগের জন্য বিবেচিত হওয়া যাবে না।

ইংরেজি বিভাগে আসনসংখ্যা

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুযায়ী ইংরেজি বিভাগে মোট আসন ছিল ১১০টি।

শাখা আসনসংখ্যা

মানবিক ৯০

বিজ্ঞান ১৫

ব্যবসায় শিক্ষা ৫

প্রতিটি শাখার শিক্ষার্থী নিজ শাখার জন্য বরাদ্দ আসনের বিপরীতে প্রতিযোগিতা করবে। ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকায় আসনসংখ্যা পরিবর্তিত হলে নতুন সংখ্যাই চূড়ান্ত হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন

সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা মোট ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। MCQ ও লিখিত—দুই অংশের জন্য আলাদাভাবে ৪৫ মিনিট করে মোট ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় ছিল।

MCQ অংশ

বাংলা– ১৫

ইংরেজি– ১৫

সাধারণ জ্ঞান– ৩০

মোট– ৬০

লিখিত অংশ

বাংলা– ২০

ইংরেজি– ২০

মোট– ৪০

বাংলার পরিবর্তে Advanced English-এর প্রশ্ন কেবল প্রযোজ্য GCE/A Level পরীক্ষার্থীদের জন্য। জাতীয় শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীদের বাংলা ও General English অংশের উত্তর দিতে হবে।

পাসের নিয়ম

ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে সামগ্রিক পাস নম্বর ৪০। তবে শুধু মোট ৪০ পেলেই হবে না; প্রতিটি অংশে আলাদা ন্যূনতম নম্বর রয়েছে।

MCQ অংশে

◆ বাংলায় ন্যূনতম ৫ নম্বর;

◆ General English-এ ন্যূনতম ৫ নম্বর;

◆ সাধারণ জ্ঞানে ন্যূনতম ১০ নম্বর;

◆ তিন বিষয়ে মিলিয়ে ন্যূনতম ২৪ নম্বর।

লিখিত অংশে

◆ বাংলায় ন্যূনতম ৫ নম্বর;

◆ General English-এ ন্যূনতম ৫ নম্বর;

◆ লিখিত অংশে মোট ন্যূনতম ১১ নম্বর।

ইংরেজি বিভাগ লক্ষ্য হলে সাধারণ পাসের শর্তের পাশাপাশি লিখিত ইংরেজিতে ১০ এবং ইংরেজির MCQ ও লিখিত মিলিয়ে ১৯ নম্বরের বিভাগীয় শর্তও পূরণ করতে হবে।

নেগেটিভ মার্কিং

MCQ অংশে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। অর্থাৎ চারটি ভুল উত্তরের জন্য মোট ১ নম্বর কর্তন হবে। তাই না জানা প্রশ্নে অতিরিক্ত অনুমাননির্ভর উত্তর না দিয়ে অপশন বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

লিখিত খাতা কারা মূল্যায়নের সুযোগ পাবে?

MCQ অংশে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের নির্ধারিত আসনসংখ্যার সর্বোচ্চ পাঁচ গুণ পরীক্ষার্থীর লিখিত উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে। ফলে MCQ-তে শুধু ন্যূনতম পাস নম্বর পেলেই লিখিত খাতা মূল্যায়নের নিশ্চয়তা নেই; প্রতিযোগিতামূলক MCQ স্কোর প্রয়োজন।

মেধাস্কোর কীভাবে তৈরি হবে?

চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি হবে মোট ১২০ নম্বরে।

উপাদান নম্বর

ভর্তি পরীক্ষা– ১০০

এসএসসি/সমমানের ফল– ১০

এইচএসসি/সমমানের ফল– ১০

সর্বমোট– ১২০

মেধাস্কোরের সাধারণ হিসাব:

ভর্তি পরীক্ষার নম্বর + (এসএসসি জিপিএ × ২) + (এইচএসসি জিপিএ × ২)

একাধিক পরীক্ষার্থীর মেধাস্কোর সমান হলে ভর্তি পরীক্ষার বাংলা বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে Advanced English এবং ইংরেজিতে প্রাপ্ত নম্বরের গড়সহ নির্দেশিকায় নির্ধারিত পরবর্তী মানদণ্ড অনুসারে ক্রম নির্ধারণ করা হবে।

ইংরেজি বিভাগ পেতে কত নম্বর লাগবে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের জন্য কোনো স্থায়ী ‘চান্স মার্ক’ ঘোষণা করে না। ইংরেজিতে ১৯ এবং লিখিত ইংরেজিতে ১০ হলো বিভাগটির জন্য বিবেচিত হওয়ার ন্যূনতম শর্ত—চান্স পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়।

চান্স নির্ভর করবে প্রশ্নের কঠিনতা, পরীক্ষার্থীদের সামগ্রিক ফল, নিজ শাখার আসনসংখ্যা, বিভাগ পছন্দক্রম, বিভাগীয় শর্ত পূরণ এবং ১২০ নম্বরের সম্মিলিত মেধাস্কোরের ওপর। তাই ন্যূনতম নম্বরকে লক্ষ্য না ধরে বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান—তিন অংশেই শক্তিশালী স্কোর তৈরি করতে হবে।

ইংরেজি MCQ প্রস্তুতি

MCQ ইংরেজির জন্য Grammar ও Vocabulary-এর মৌলিক নিয়ম পরিষ্কার করা জরুরি। বিশেষ গুরুত্ব দেবে—

◆ Parts of Speech ও Sentence Structure;

◆ Subject–Verb Agreement;

◆ Right Form of Verbs ও Tense;

◆ Voice, Narration ও Transformation;

◆ Preposition ও Appropriate Preposition;

◆ Synonym, Antonym, Idiom and Phrase;

◆ Spelling, Analogy ও One-word Substitution;

◆ Sentence Correction এবং Contextual Vocabulary।

শুধু নিয়ম মুখস্থ না করে প্রতিটি অধ্যায় শেষে সময় ধরে MCQ সমাধান করতে হবে। ভুল প্রশ্নের নিয়ম আলাদা নোটে লিখে নিয়মিত রিভিশন করলে একই ভুল পুনরাবৃত্তি কমবে।

ইংরেজি লিখিত প্রস্তুতি

অফিসিয়াল নির্দেশিকায় লিখিত General English অংশে যেসব ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো—

◆ Comprehension;

◆ Short Paragraph;

◆ Explanation with Reference to the Context;

◆ Rearranging;

◆ Translation;

◆ Punctuation;

◆ Gap Filling with and without Clues;

◆ Sentence Making;

◆ Changing and Transformation of Sentences।

ইংরেজি বিভাগের জন্য লিখিত ইংরেজিতে অন্তত ১০ নম্বর বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রতিদিন হাতে লিখে অনুশীলন করতে হবে। Comprehension-এর উত্তর passage-এর তথ্য অনুযায়ী লিখবে, paragraph-এ একটি স্পষ্ট central idea বজায় রাখবে এবং translation-এ আক্ষরিক অনুবাদের পরিবর্তে অর্থ ও বাক্যের স্বাভাবিকতা রক্ষা করবে।

বাংলা ও সাধারণ জ্ঞান কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইংরেজি বিভাগে আলাদা ইংরেজির শর্ত থাকলেও মেধাতালিকা তৈরি হবে পুরো ভর্তি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে। বাংলায় দুর্বলতা বা সাধারণ জ্ঞানে কম নম্বরের কারণে ভালো ইংরেজি স্কোর নিয়েও সামগ্রিক মেধাক্রমে পিছিয়ে পড়া সম্ভব।

বাংলায় বোর্ড বইয়ের গদ্য–পদ্য, লেখক–কবি পরিচিতি, ব্যাকরণ, বানান, বাক্যশুদ্ধি, সন্ধি, সমাস, উপসর্গ–প্রত্যয়, বাগ্‌ধারা ও এককথায় প্রকাশ পড়বে। সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, পৌরনীতি ও সুশাসন, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, যুক্তিবিদ্যা, ভূগোল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো প্রস্তুত করবে।

কার্যকর প্রস্তুতি পরিকল্পনা

প্রথম ধাপ: বিভাগীয় শর্ত লিখে রাখো

লক্ষ্য পরিষ্কার রাখবে—লিখিত ইংরেজিতে কমপক্ষে ১০, ইংরেজির MCQ ও লিখিত মিলিয়ে কমপক্ষে ১৯ এবং পুরো পরীক্ষায় কমপক্ষে ৪০ প্রয়োজন। তবে ন্যূনতম শর্তের চেয়ে নিরাপদ ব্যবধান তৈরি করাই প্রস্তুতির লক্ষ্য হওয়া উচিত।

দ্বিতীয় ধাপ: MCQ ও লিখিত একসঙ্গে পড়ো

প্রথম দিন থেকেই Grammar, Vocabulary ও MCQ অনুশীলনের পাশাপাশি Comprehension, Paragraph, Translation এবং Explanation লিখবে। লিখিত প্রস্তুতি পরীক্ষার শেষ মাসের জন্য রেখে দিলে গতি ও উপস্থাপনা তৈরি করা কঠিন হবে।

তৃতীয় ধাপ: বোর্ড বইয়ের ভিত্তি শক্ত করো

প্রশ্ন উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পর্যায়ের অনুমোদিত পাঠ্যক্রম অনুসারে প্রণীত হয়। তাই বাংলা ও ইংরেজির বোর্ড বইয়ের পাঠ্যাংশ, ব্যাকরণ এবং অনুশীলনীর প্রশ্ন বাদ দেওয়া যাবে না।

চতুর্থ ধাপ: বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করো

বিগত প্রশ্ন সমাধানের সময় কোন grammar rule বারবার এসেছে, vocabulary কতটা context-based, লিখিত প্রশ্নের উত্তর কতটুকু লিখতে হয় এবং কোন অংশে বেশি সময় লাগছে—এসব নোট করবে।

পঞ্চম ধাপ: পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দাও

৪৫ মিনিটে ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪৫ মিনিটে ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করো। প্রতিটি মডেল টেস্টের পর ভুলের কারণ—জ্ঞানঘাটতি, অসাবধানতা না সময়ের চাপ—আলাদা করে চিহ্নিত করবে।

দৈনিক প্রস্তুতির নমুনা রুটিন

◆ ইংরেজি Grammar ও Vocabulary—১ ঘণ্টা;

◆ ইংরেজি লিখিত অনুশীলন—১ ঘণ্টা;

◆ বাংলা MCQ ও লিখিত—১ ঘণ্টা;

◆ সাধারণ জ্ঞান—১ ঘণ্টা;

◆ বিগত প্রশ্ন বা মডেল টেস্ট—৪৫ মিনিট;

◆ ভুল প্রশ্ন রিভিশন—৩০ মিনিট।

নিজের দুর্বলতা অনুযায়ী সময় কমবেশি করা যাবে। তবে প্রতিদিন ইংরেজি লিখিত অনুশীলনের সঙ্গে সংযোগ রাখা জরুরি।

প্রস্তুতির জন্য জয়কলির বই

◆ বাংলা MCQ ও বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি—বাংলা বিচিত্রা;

◆ ইংরেজি MCQ ও লিখিত প্রস্তুতি—Exam English;

◆ সাধারণ জ্ঞান—জয়কলি GK;

◆ বাংলা ও ইংরেজি লিখিত অনুশীলন—WRITTEN মানবিক;

◆ বিগত প্রশ্ন ও মডেল টেস্ট—জয়কলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট।

এর পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজির বোর্ড বইয়ের পাঠ্যাংশ ও অনুশীলনীর প্রশ্ন অবশ্যই পড়বে।

বিষয় পছন্দ ও ভর্তি

ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে Subject Choice Form পূরণ করতে হবে। ইংরেজি বিভাগ লক্ষ্য হলে পছন্দক্রমে ইংরেজিকে উপযুক্ত স্থানে রাখতে হবে। বিভাগ পাওয়ার ক্ষেত্রে মেধাক্রম, নিজ শাখার আসন, বিভাগীয় শর্ত এবং পছন্দক্রম—সবকিছু বিবেচিত হবে। নির্ধারিত সময়ে বিষয় পছন্দ বা ভর্তি সম্পন্ন না করলে সুযোগ হারাতে হতে পারে।

শেষ কথা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুযায়ী আসন ছিল ১১০টি। তাই শুধু ইউনিটে পাস নয়—একাডেমিক ইংরেজির শর্ত পূরণ, লিখিত ইংরেজিতে অন্তত ১০, ইংরেজিতে সম্মিলিত অন্তত ১৯ এবং নিজ শাখায় শক্তিশালী মেধাক্রম তৈরি করতে হবে।

  • প্রস্তুতির মূলনীতি হোক—বোর্ড বইয়ে ভিত্তি, Exam English-এ ইংরেজির নিয়মিত চর্চা, বাংলা বিচিত্রায় বাংলা, জয়কলি GK-তে সাধারণ জ্ঞান এবং প্রশ্নব্যাংক–মডেল টেস্টে চূড়ান্ত যাচাই।

তথ্যসূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার অফিসিয়াল সময়সূচি এবং ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ ভর্তি নির্দেশিকা। ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে সেটিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

মন্তব্য ও উত্তর

মন্তব্য লোড হচ্ছে…