+88 01678-343450 info@joykoly.com
সব লেখা

GST গুচ্ছে পড়ার স্বপ্ন? আবেদন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পর্যন্ত জেনে নাও A–Z তথ্য

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

GST গুচ্ছভুক্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একটি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়। ফলে একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় না। একটি নির্দিষ্ট ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অনুযায়ী গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগে আবেদন করা যায়।

কোন ইউনিটে কারা পরীক্ষা দেবে, আবেদনের জন্য কত জিপিএ প্রয়োজন, ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন কী, বিজ্ঞান ইউনিটে বিষয় নির্বাচন কীভাবে করতে হবে, পাস নম্বর কত এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ পছন্দ করতে হবে কীভাবে—GST ভর্তি পরীক্ষার প্রয়োজনীয় তথ্য এই লেখায় বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

GST গুচ্ছের তিনটি ইউনিট

শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পর্যায়ের শাখা অনুযায়ী GST ভর্তি পরীক্ষাকে তিনটি ইউনিটে ভাগ করা হয়েছে।

ইউনিট A বিজ্ঞান

ইউনিট B মানবিক

ইউনিট C বাণিজ্য

একজন শিক্ষার্থীকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শাখা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ইউনিটে আবেদন করতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী কেবল একটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

কোন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে?

প্রদত্ত ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী আবেদনকারীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বছর হতে হবে ২০২২, ২০২৩ অথবা ২০২৪। এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বছর হতে হবে ২০২৫ অথবা ২০২৬।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, এইচএসসি ভোকেশনাল এবং অনুমোদিত অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আবেদনযোগ্য পাসের বছর ও শিক্ষাবর্ষ প্রতিবছর পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষের অফিসিয়াল GST ভর্তি নির্দেশিকার সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে নিতে হবে।

ইউনিট A—বিজ্ঞান শাখায় আবেদনের যোগ্যতা

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখা এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ইউনিট A-তে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের জন্য এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান—উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.২৫ থাকতে হবে। দুই পরীক্ষার মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০ হতে হবে।

◆ প্রতিটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ: ৩.২৫
◆ দুই পরীক্ষায় মোট ন্যূনতম জিপিএ: ৭.০০
◆ প্রযোজ্য শাখা: বিজ্ঞান

ইউনিট B—মানবিক শাখায় আবেদনের যোগ্যতা

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক শাখার পাশাপাশি মিউজিক, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ ও মুজাব্বিদ মাহির শাখার শিক্ষার্থীদের মানবিক শাখার প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান—উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। দুই পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.০০ হতে হবে।

◆ প্রতিটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ: ৩.০০
◆ দুই পরীক্ষায় মোট ন্যূনতম জিপিএ: ৬.০০
◆ প্রযোজ্য শাখা: মানবিক ও নির্দেশিকায় উল্লিখিত সমমানের শাখা

ইউনিট C—বাণিজ্য শাখায় আবেদনের যোগ্যতা

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাণিজ্য শাখা, ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা এবং ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বাণিজ্য শাখার প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান—উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। দুই পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.২৫ হতে হবে।

◆ প্রতিটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ: ৩.০০
◆ দুই পরীক্ষায় মোট ন্যূনতম জিপিএ: ৬.২৫
◆ প্রযোজ্য শাখা: বাণিজ্য ও নির্দেশিকায় উল্লিখিত সমমানের শাখা

ভর্তি পরীক্ষার সাধারণ নিয়ম

GST গুচ্ছের প্রতিটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বহুনির্বাচনী বা MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ইউনিটের পরীক্ষার পূর্ণমান ১০০ এবং পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা।

প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাওয়া যাবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। ফলে নিশ্চিত না হয়ে অতিরিক্ত প্রশ্নের উত্তর দিলে নেগেটিভ মার্কিংয়ের কারণে মোট নম্বর কমে যেতে পারে।

◆ পরীক্ষার পদ্ধতি: MCQ
◆ মোট নম্বর: ১০০
◆ পরীক্ষার সময়: ১ ঘণ্টা
◆ প্রতিটি সঠিক উত্তরের নম্বর: ১
◆ প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কর্তন: ০.২৫ নম্বর
◆ প্রশ্নের ভিত্তি: নির্দেশিকায় নির্ধারিত এইচএসসি পাঠ্যসূচি

ইউনিট A-এর মানবণ্টন

ইউনিট A-তে মোট চারটি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ২৫ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বাধ্যতামূলক বিষয়।

পদার্থবিজ্ঞান ২৫

রসায়ন ২৫

নির্বাচিত তৃতীয় বিষয় ২৫

নির্বাচিত চতুর্থ বিষয় ২৫

মোট ১০০

ইউনিট A-তে বিষয় নির্বাচন কীভাবে হবে?

পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পাশাপাশি গণিত ও জীববিজ্ঞানের মধ্যে অন্তত একটি বিষয়ে অবশ্যই পরীক্ষা দিতে হবে। চতুর্থ বিষয় হিসেবে গণিত, জীববিজ্ঞান, বাংলা অথবা ইংরেজি থেকে একটি বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

সম্ভাব্য বিষয় সমন্বয় হতে পারে—

◆ পদার্থবিজ্ঞান + রসায়ন + গণিত + জীববিজ্ঞান
◆ পদার্থবিজ্ঞান + রসায়ন + গণিত + বাংলা
◆ পদার্থবিজ্ঞান + রসায়ন + গণিত + ইংরেজি
◆ পদার্থবিজ্ঞান + রসায়ন + জীববিজ্ঞান + বাংলা
◆ পদার্থবিজ্ঞান + রসায়ন + জীববিজ্ঞান + ইংরেজি

গণিত ও জীববিজ্ঞান—দুটি বিষয়ই বাদ দিয়ে শুধু বাংলা ও ইংরেজি নির্বাচন করা যাবে না। এ ছাড়া এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে কোনো বিষয় না পড়ে থাকলে সেই বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিষয় নির্বাচনের আগে যে বিষয়টি ভাবতে হবে

ইউনিট A-তে বিষয় নির্বাচন শুধু ভর্তি পরীক্ষার নম্বরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়; পরবর্তী সময়ে কোন বিভাগে আবেদন করা যাবে, সেটিও নির্বাচিত বিষয় ও এইচএসসি পর্যায়ে পড়া বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে।

যারা প্রকৌশল, গণিত, পরিসংখ্যান বা গণনাভিত্তিক বিভাগ লক্ষ্য করছে, তাদের গণিত নির্বাচন করার প্রয়োজন হতে পারে। যারা জীববিজ্ঞান, ফার্মেসি, বায়োটেকনোলজি বা জীববিজ্ঞান-সংশ্লিষ্ট বিভাগ লক্ষ্য করছে, তাদের জীববিজ্ঞান নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই বিভাগীয় লক্ষ্য বিবেচনা করে বিষয় নির্বাচন করতে হবে।

ইউনিট B-এর মানবণ্টন

মানবিক শাখার ইউনিট B-তে বাংলা ও ইংরেজিতে সমান ৩৫ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞানে ৩০ নম্বর থাকবে।

বাংলা ৩৫

ইংরেজি ৩৫

সাধারণ জ্ঞান ৩০

মোট ১০০

সাধারণ জ্ঞানে কোন কোন বিষয় থাকবে?

সাধারণ জ্ঞান অংশে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কয়েকটি বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—

◆ পৌরনীতি ও সুশাসন
◆ সমাজবিজ্ঞান
◆ অর্থনীতি
◆ ইতিহাস
◆ যুক্তিবিদ্যা
◆ ভূগোল
◆ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
◆ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

ইউনিট B-তে বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে ৭০ নম্বর থাকায় এই দুটি বিষয়কে প্রস্তুতির প্রধান ভিত্তি হিসেবে নিতে হবে।

ইউনিট C-এর মানবণ্টন

বাণিজ্য শাখার ইউনিট C-তে হিসাববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা—প্রতিটি বিষয়ে ৩৫ নম্বর করে থাকবে। বাংলা ও ইংরেজিতে থাকবে ১৫ নম্বর করে।

হিসাববিজ্ঞান ৩৫

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ৩৫

বাংলা ১৫

ইংরেজি ১৫

মোট১০০

হিসাববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনায় মোট ৭০ নম্বর থাকায় এই দুটি বিষয়ের প্রস্তুতি সবচেয়ে শক্তিশালী করতে হবে। তবে বাংলা ও ইংরেজির ৩০ নম্বর অবহেলা করলে মেধাক্রমে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।

GST ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর কত?

GST সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রতিটি ইউনিটে MCQ পাস নম্বর ৩০। শুধুমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অনুযায়ী গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

তবে ৩০ নম্বর পাওয়া মানেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত হওয়া নয়। পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ পেতে ভালো মেধাক্রম, বিভাগভিত্তিক যোগ্যতা এবং সঠিক পছন্দক্রম প্রয়োজন।

মনে রাখতে হবে: ৩০ নম্বর শুধু পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ন্যূনতম যোগ্যতা তৈরি করে। প্রতিযোগিতামূলক বিভাগ পেতে এর চেয়ে অনেক বেশি নম্বর অর্জনের লক্ষ্য রাখতে হবে।

বিশেষায়িত বিভাগে ভর্তির নিয়ম

সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা, থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন, আর্কিটেকচার, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞানসহ কয়েকটি বিশেষায়িত বিভাগে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা ব্যবহারিক পরীক্ষা নিতে পারবে।

এসব বিভাগের মেধাতালিকা তৈরির সময় GST ভর্তি পরীক্ষার নম্বর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক নম্বর এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর বিবেচনা করা হতে পারে।

ব্যবহারিক পরীক্ষার নিয়ম, নম্বর ও ন্যূনতম যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগভেদে আলাদা হতে পারে। তাই বিশেষায়িত বিভাগে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগভিত্তিক ভর্তি নির্দেশিকা পড়তে হবে।

আর্কিটেকচার বিভাগে ভর্তি হতে চাইলে

আর্কিটেকচার বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে প্রথমে ইউনিট A-এর MCQ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। আবেদনের সময় সাধারণ আবেদন ফির পাশাপাশি ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে।

প্রদত্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যবহারিক ড্রয়িং পরীক্ষা ইউনিট A-এর ভর্তি পরীক্ষার দিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

◆ ইউনিট A-এর ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক
◆ অতিরিক্ত ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি: ৫০০ টাকা
◆ ব্যবহারিক পরীক্ষার বিষয়: ড্রয়িং
◆ সময় ও কেন্দ্র: নির্দেশিকায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নিজ নিজ কেন্দ্রে

পরীক্ষার তারিখ ও সময় পরিবর্তন হতে পারে। তাই প্রবেশপত্র এবং সর্বশেষ অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

আবেদন ফি

GST গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সাধারণ আবেদন ফি ১,৫০০ টাকা। আর্কিটেকচার বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে চাইলে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হবে।

অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ থাকলে সেটি আলাদাভাবে যুক্ত হতে পারে। আবেদন করার সময় ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত মোট অর্থ দেখে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্র কীভাবে নির্বাচন করবে?

আবেদনকারীকে প্রকাশিত তালিকা থেকে একটি পরীক্ষাকেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর সাধারণত পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের সুযোগ থাকে না।

কিছু কেন্দ্রে নির্ধারিত আসনসংখ্যা থাকতে পারে। কোনো কেন্দ্রের আসন পূর্ণ হয়ে গেলে পরবর্তী আবেদনকারীরা সেই কেন্দ্র নির্বাচন করতে পারবে না। তাই পছন্দের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে চাইলে আবেদন শুরু হওয়ার পর দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করা ভালো।

কেন্দ্র নির্বাচনের আগে যাতায়াতব্যবস্থা, সম্ভাব্য থাকার ব্যবস্থা, পরীক্ষার দিনের যানজট এবং কেন্দ্রের দূরত্ব বিবেচনা করা উচিত।

পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর তালিকা

প্রদত্ত নির্দেশিকায় উল্লিখিত পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো হলো—

১. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
২. মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, টাঙ্গাইল
৩. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী
৪. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী
৫. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
৬. যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর
৭. পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা
৮. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
৯. গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ
১০. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল
১১. রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি
১২. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, সিরাজগঞ্জ
১৩. ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ, গাজীপুর
১৪. নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোণা
১৫. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
১৬. চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর
১৭. কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ
১৮. সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ
১৯. পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর
২০. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
২১. চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম

সার্কুলারে উল্লিখিত কয়েকটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর নির্দিষ্ট সংখ্যাসীমা না থাকলেও অন্যান্য কেন্দ্রে ইউনিটভেদে আসন সীমিত থাকতে পারে। কেন্দ্রের আসনসংখ্যা ও প্রাপ্যতা আবেদনকালীন ওয়েবসাইটে দেখে নিতে হবে।

ফলাফল ও মেধাক্রম কীভাবে নির্ধারিত হবে?

প্রতিটি ইউনিটের ফল GST-এর অফিসিয়াল ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। একই নম্বর পাওয়া একাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধাক্রম নির্ধারণের জন্য ইউনিটভেদে বিষয়ভিত্তিক নম্বর, এইচএসসির ফল এবং এসএসসির ফল বিবেচনা করা হবে।

ইউনিট A-এর টাই নির্ধারণ

সমান নম্বরের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে বিবেচিত হতে পারে—

◆ মোট MCQ নম্বর
◆ পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের MCQ নম্বর
◆ এইচএসসির জিপিএ ও প্রাপ্ত নম্বর
◆ এইচএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের গ্রেড ও নম্বর
◆ এসএসসির জিপিএ

ইউনিট B-এর টাই নির্ধারণ

সমান নম্বরের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে বিবেচিত হতে পারে—

◆ মোট MCQ নম্বর
◆ বাংলা ও ইংরেজির MCQ নম্বর
◆ এইচএসসির জিপিএ ও প্রাপ্ত নম্বর
◆ এইচএসসিতে বাংলা ও ইংরেজির গ্রেড ও নম্বর
◆ এসএসসির জিপিএ

ইউনিট C-এর টাই নির্ধারণ

সমান নম্বরের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে বিবেচিত হতে পারে—

◆ মোট MCQ নম্বর
◆ হিসাববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনার MCQ নম্বর
◆ বাংলা ও ইংরেজির MCQ নম্বর
◆ এইচএসসির জিপিএ ও প্রাপ্ত নম্বর
◆ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের গ্রেড ও নম্বর
◆ এসএসসির জিপিএ

GST পরীক্ষায় পাস করার পর কী করতে হবে?

GST ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগে ভর্তির জন্য পরবর্তী আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে।

প্রথম ধাপ: বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ নির্বাচন

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে কেন্দ্রীয়ভাবে আবেদন করে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভর্তিযোগ্য বিভাগগুলোর পছন্দক্রম দিতে হবে।

সব শিক্ষার্থী সব বিভাগে আবেদন করতে পারবে না। কোনো বিভাগে আবেদনের জন্য নির্দিষ্ট বিষয় পড়া, ভর্তি পরীক্ষায় নির্দিষ্ট বিষয়ে উত্তর দেওয়া অথবা ন্যূনতম বিষয়ভিত্তিক নম্বরের শর্ত থাকতে পারে।

দ্বিতীয় ধাপ: প্রাথমিক ভর্তি

শিক্ষার্থীর মেধাক্রম, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের পছন্দক্রম এবং আসনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রাথমিক ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।

তৃতীয় ধাপ: অপেক্ষমাণ তালিকা ও মাইগ্রেশন

আসন খালি থাকলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থী ডাকা হতে পারে। প্রদত্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী সর্বোচ্চ চারবার অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ডাকার সুযোগ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট মাইগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

চতুর্থ ধাপ: চূড়ান্ত ভর্তি

সর্বশেষ যে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগে মনোনয়ন পাওয়া যাবে, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা, ফি প্রদান এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত ভর্তি হতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ: GST পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে আবেদন করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগভিত্তিক যোগ্যতা অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

ইউনিটভিত্তিক প্রস্তুতির কৌশল

ইউনিট A-এর প্রস্তুতি

ইউনিট A-তে পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বাধ্যতামূলক এবং এই দুটি বিষয় থেকে মোট ৫০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। তাই এই দুই বিষয়কে প্রস্তুতির ভিত্তি হিসেবে নিতে হবে।

বোর্ড বই থেকে প্রতিটি অধ্যায়ের মৌলিক ধারণা, সূত্র, ব্যতিক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিষ্কার করতে হবে। গণিত ও জীববিজ্ঞানের মধ্যে বিভাগীয় লক্ষ্য অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করে নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। গাণিতিক সমস্যার সমাধানে গতি বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ভুলতার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলা অথবা ইংরেজি নির্বাচন করতে চাইলে আগে বিগত প্রশ্ন দেখে বুঝতে হবে কোন বিষয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব। শুধু বিষয় সহজ মনে হচ্ছে বলে নির্বাচন না করে লক্ষ্য করা বিভাগে ভর্তির যোগ্যতাও বিবেচনা করতে হবে।

ইউনিট A-এর প্রস্তুতির বই

◆ পদার্থবিজ্ঞান—পদার্থ বিচিত্রা
◆ রসায়ন—রসায়ন বিচিত্রা
◆ জীববিজ্ঞান—বায়োলজি বিচিত্রা
◆ গণিত—গণিত বিচিত্রা
◆ বাংলা—বাংলা বিচিত্রা
◆ ইংরেজি—Exam English
◆ সমন্বিত প্রস্তুতি—GST AID—বিজ্ঞান
◆ বিগত প্রশ্ন ও মডেল টেস্ট—জয়কলি GST প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট—বিজ্ঞান

ইউনিট B-এর প্রস্তুতি

ইউনিট B-তে বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে ৭০ নম্বর রয়েছে। তাই এই দুটি বিষয়কে প্রস্তুতির প্রধান ভিত্তি হিসেবে নিতে হবে।

বাংলা ব্যাকরণ, সাহিত্য, লেখক-রচনা ও বোর্ড বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়মিত রিভিশন করতে হবে। ইংরেজিতে Grammar, Vocabulary, Sentence Correction, Appropriate Preposition, Phrase and Idiom, Synonym-Antonym এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টপিক অনুশীলন করতে হবে।

সাধারণ জ্ঞানের স্থায়ী ও সাম্প্রতিক অংশ আলাদাভাবে পড়া উচিত। প্রতিদিন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির পাশাপাশি নির্দেশিকায় উল্লিখিত একাডেমিক বিষয়গুলো থেকে MCQ সমাধান করতে হবে।

ইউনিট B-এর প্রস্তুতির বই

◆ বাংলা—বাংলা বিচিত্রা
◆ ইংরেজি—Exam English
◆ সাধারণ জ্ঞান—জয়কলি GK
◆ সমন্বিত প্রস্তুতি—GST AID—মানবিক
◆ বিগত প্রশ্ন ও মডেল টেস্ট—জয়কলি GST প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট—মানবিক

ইউনিট C-এর প্রস্তুতি

ইউনিট C-তে হিসাববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা থেকে মোট ৭০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। তাই এই দুটি বিষয়ে শক্তিশালী প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

হিসাববিজ্ঞানের প্রতিটি অধ্যায়ের নিয়ম ও সূত্র পরিষ্কার করে সময় ধরে সমস্যা সমাধান করতে হবে। ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা, নীতি, বৈশিষ্ট্য, পার্থক্য এবং ব্যতিক্রমধর্মী তথ্য আলাদা করে রিভিশন দেওয়া উচিত।

বাংলা ও ইংরেজি থেকে মোট ৩০ নম্বর থাকায় এই অংশ অবহেলা করা যাবে না। নিয়মিত প্রশ্ন সমাধান করলে ভাষাবিষয়ক অংশ থেকে তুলনামূলক কম সময়ে ভালো নম্বর অর্জন করা সম্ভব।

ইউনিট C-এর প্রস্তুতির বই

◆ হিসাববিজ্ঞান—হিসাব বিচিত্রা
◆ ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা—ব্যবসায় বিচিত্রা
◆ বাংলা—বাংলা বিচিত্রা
◆ ইংরেজি—Exam English
◆ সমন্বিত প্রস্তুতি—GST AID—ব্যবসায় শিক্ষা
◆ বিগত প্রশ্ন ও মডেল টেস্ট—জয়কলি GST প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট—ব্যবসায় শিক্ষা

প্রস্তুতির সঠিক ধাপ

প্রথম ধাপ: মৌলিক ভিত্তি তৈরি

বোর্ড বই ও বিষয়ভিত্তিক বই থেকে প্রতিটি অধ্যায়ের মৌলিক ধারণা পরিষ্কার করতে হবে। সূত্র বা তথ্য শুধু মুখস্থ না করে তার প্রয়োগ বুঝতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: অধ্যায়ভিত্তিক MCQ

একটি অধ্যায় শেষ করার পর সেই অধ্যায়ের পর্যাপ্ত MCQ সমাধান করতে হবে। ভুল উত্তরগুলো চিহ্নিত করে আবার সংশ্লিষ্ট অংশ পড়তে হবে।

তৃতীয় ধাপ: বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ

বিগত বছরের GST প্রশ্ন সমাধান করে বারবার আসা অধ্যায়, গুরুত্বপূর্ণ টপিক এবং প্রশ্নের ধরন চিহ্নিত করতে হবে। এতে প্রস্তুতির অগ্রাধিকার ঠিক করা সহজ হবে।

চতুর্থ ধাপ: সময় ধরে মডেল টেস্ট

৬০ মিনিটে ১০০টি প্রশ্ন সমাধানের অভ্যাস করতে হবে। শুধু সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা না করে সময় ব্যবস্থাপনা ও নির্ভুলতার সমন্বয় করতে হবে।

পঞ্চম ধাপ: নেগেটিভ মার্কিংয়ের কৌশল

প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। তাই সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর উত্তর এড়িয়ে যেতে হবে। যে প্রশ্নে অন্তত দুটি বিকল্প বাদ দেওয়া সম্ভব, সেই প্রশ্নে হিসাব করে উত্তর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

ষষ্ঠ ধাপ: ভুল বিশ্লেষণ

প্রতিটি মডেল টেস্টের পর ভুল প্রশ্নগুলোর কারণ লিখে রাখতে হবে। ধারণাগত দুর্বলতা, সূত্র মনে না থাকা, অসাবধানতা অথবা সময়ের চাপ—কোন কারণে ভুল হয়েছে, সেটি শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট অধ্যায় পুনরায় পড়তে হবে।

শেষ কথা

GST ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পাওয়া শুধু গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরবর্তী আবেদনের যোগ্যতা তৈরি করে। পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ পেতে প্রয়োজন শক্তিশালী স্কোর, সঠিক বিষয় নির্বাচন, বিভাগভিত্তিক যোগ্যতা এবং কৌশলী পছন্দক্রম।

বোর্ড বইয়ের মৌলিক ধারণা, বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন, বিগত প্রশ্নের বিশ্লেষণ এবং নিয়মিত মডেল টেস্ট—এই চারটির সমন্বয়ে প্রস্তুতি নিলে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করার সম্ভাবনা বাড়বে।

লক্ষ্য শুধু পাস নম্বর অর্জন নয়; এমন একটি মেধাক্রম তৈরি করা, যা তোমাকে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের কাছাকাছি নিয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র: প্রদত্ত GST গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অফিসিয়াল আবেদন ও ভর্তি নির্দেশিকা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই লেখার আবেদনযোগ্য পাসের বছর, আবেদন ফি, পরীক্ষাকেন্দ্র, ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় এবং অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট ভর্তি নির্দেশিকার ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে। প্রকাশের আগে অফিসিয়াল সার্কুলারের শিক্ষাবর্ষ এবং সর্বশেষ সংশোধনী মিলিয়ে নেওয়া আবশ্যক।

মন্তব্য ও উত্তর

মন্তব্য লোড হচ্ছে…